ডাইক্লোরোমিথেন, যা ডাইক্লোরোমিথেন বা ডিএক্সএম নামেও পরিচিত, হলো একটি দ্রাবক যা পেইন্ট থিনার এবং অন্যান্য পণ্যে ব্যবহৃত হয়। এর সাথে ক্যান্সার, জ্ঞানীয় বৈকল্য এবং শ্বাসরোধে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর সম্পর্ক পাওয়া গেছে। যদি আপনার কোনো পেইন্ট বা কোটিং অপসারণ করার প্রয়োজন হয়, তবে মিথিলিন ক্লোরাইড এবং এন-মিথাইলপাইরোলিডোন (এনএমপি)-এর মতো অন্যান্য বিষাক্ত রাসায়নিকযুক্ত পণ্য এড়িয়ে চলুন। আরও তথ্যের জন্য আমাদের নিরাপদ খাবারের তালিকা দেখুন।
যদি আপনি মিথিলিন ক্লোরাইডযুক্ত কোনো পণ্য ব্যবহার করেন, তবে আপনি এই রাসায়নিকের ধোঁয়া শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারেন। এই রাসায়নিকটি ত্বকের মাধ্যমেও শোষিত হতে পারে।
কেনাকাটার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করার কোনো উপায় নেই। আমাদের এটা করার কোনো প্রয়োজন নেই। যখন আপনি কোনো দোকানে প্রবেশ করবেন, তখন আপনাকে অবশ্যই নিশ্চিত হতে হবে যে দোকানের তাকের পণ্যগুলো নিরাপদ।
কোম্পানিগুলোর বিপজ্জনক রাসায়নিকযুক্ত পণ্য বিক্রি করা উচিত নয়, বিশেষ করে যখন বিজ্ঞানীরা আমাদের নিয়মিত সংস্পর্শে আসা সমস্ত বিষাক্ত রাসায়নিকের ক্রমবর্ধমান প্রভাবে সৃষ্ট ‘নীরব মহামারী’ সম্পর্কে আরও বেশি করে জানতে পারছেন। রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারেরও উচিত নয় রাসায়নিকগুলোকে বাজারে ছাড়ার অনুমতি দেওয়া, যতক্ষণ না সেগুলো নিরাপদ বলে প্রমাণিত হয়।
মিথিলিন ক্লোরাইডের মতো বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ থেকে সবাইকে রক্ষা করার একমাত্র উপায় হলো সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে নীতি পরিবর্তন করা, যাতে নিরাপদ সমাধানগুলোই স্বাভাবিক রীতিতে পরিণত হয়।
এইসব বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ থেকে আপনাকে ও আপনার প্রিয়জনদের রক্ষা করতে আমরা প্রতিদিন কাজ করি। আমাদের এই লড়াইয়ে যোগ দিতে, অনুদান দেওয়ার কথা ভাবতে পারেন, আমাদের কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন, অথবা আমাদের মেইলিং লিস্টে সাবস্ক্রাইব করতে পারেন।
যখন মিথিলিন ক্লোরাইড-ভিত্তিক পেইন্ট রিমুভার থেকে ধোঁয়া নির্গত হয়, তখন এই রাসায়নিকের কারণে শ্বাসরোধ এবং হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। কেভিন হার্টলি এবং জোশুয়া অ্যাটকিন্সসহ অনেকের সাথেই এমনটা ঘটেছে। এই পণ্যগুলোর কারণে কোনো পরিবারই তাদের প্রিয়জনকে হারাবে না।
পোস্ট করার সময়: ৩০-মে-২০২৩